মহান আল্লাহ বলেন,
وَ تَعَاوَنُوۡا عَلَی الۡبِرِّ وَ التَّقۡوٰی ۪ وَ لَا تَعَاوَنُوۡا عَلَی الۡاِثۡمِ وَ الۡعُدۡوَانِ ۪ وَ اتَّقُوا اللّٰهَ ؕ اِنَّ اللّٰهَ شَدِیۡدُ الۡعِقَابِ – ۲
অর্থ: তোমরা ভালকাজ ও খোদাভীতিতে পরস্পরকে সহযোগিতা কর। মন্দকাজ ও সীমালঙ্ঘনে পরস্পরের সহযোগিতা করো না। আর আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠিন আযাব দাতা। (সুরা মায়িদা: ০২)
বিশুদ্ধ দ্বীনি জ্ঞানার্জনের সাদাকাহ প্লাটফর্ম ‘তাহযিব ইনস্টিটিউট’। দেশ-বিদেশের বাংলা ভাষাভাষী ভাই-বোনদের মাঝে ওহীর আলো ছড়িয়ে দিতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ। তাহযিব ইনস্টিটিউট থেকে গত চার বছরে দেশ বিদেশের কয়েক হাজার দ্বীনি ভাই-বোন ইসলামী জ্ঞানার্জনের সুযোগ পেয়েছে। এ পর্যন্ত মোট রেজিস্টার্ড শিক্ষার্থী ৯০০০ এর অধিক। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে আমাদের লক্ষ্য, অন্তত ১০ লাখ বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে দ্বীন শেখানো ইন শা আল্লাহ।
আমাদের সকল কার্যক্রম সম্পূর্ণ অলাভজনক হওয়ায় আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে অনেক সময় হিমশিম খেতে হয়। প্রতিমাসে আমাদের কোর্স পরিচালনা, উন্নয়ন, গবেষণা, কুরআন হাদীসের রেফারেন্সধর্মী কিতাবাদি ক্রয়, মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি, ডিজাইন-এডিটিং, ওয়েব ডেভলপমেন্ট ইত্যাদি নানান খাতে বড় অংকের খরচের প্রয়োজন হয়, যা আমাদের একার পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। এছাড়াও অনলাইনের পাশাপাশি তাহযিব ফাউন্ডেশন কর্তৃক উত্তরাঞ্চলে মসজিদ-মাদ্রাসা কমপ্লেক্স, ইসলামিক স্কুল ও দাওয়াহ সেন্টার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। আমরা একইসাথে শিক্ষা, গবেষণা, দাওয়াহ ও সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের সকল কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য হলো, ‘আল্লাহর পথে দাওয়াহ’।
তাই আমাদের এই দ্বীনি কার্যক্রমকে সফল করতে আপনাদের একান্ত সহযোগিতা প্রয়োজন। দেশ-বিদেশে অবস্থানরত যে কোনো দ্বীনী ভাই-বোন এককালীন, মাসিক কিংবা বাৎসরিক হিসেবে সাদাকায় অংশ নিয়ে দ্বীনী ও দাওয়াতী কাজে সহযোগিতা করতে পারেন। আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক রহ. বলেন, ‘‘নবুওয়াতের পর দ্বীনি ইলম প্রচারের চেয়ে উত্তম কোনো আমল আমার জানা নেই।’’ এটি নিঃসন্দেহে সাদাকায়ে জারিয়ার অন্যতম মাধ্যম। আমাদের মৃত্যুর পরেও যার নেক প্রতিদান অব্যাহত থাকবে। দুনিয়ায় কিছু অবদান রেখে যাওয়ার সুযোগ হবে।
রাসূল সা. বলেন,
انْقَطَعَ عَمَلُهُ إِلاَّ مِنْ ثَلاثٍ: صَدَقةٍ جَارِيَةٍ، أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ، أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ ». رواه مسلم
‘‘যখন কোন মানুষ মারা যায়, তখন তার সকল আমলের দরজা বন্ধ হয়ে যায়। শুধু তিনটি জিনিস ব্যতীত; (১) সাদাকাহ জারিয়াহ, (২) যে ইলম দ্বারা উপকৃত হয় অথবা (৩) নেককার সন্তান যে তার জন্য দু‘আ করে।’’ [মুসলিম: ১৬৩]